লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আবাদ কম, ধানের দামে খুশি কৃষক

লালমনিরহাট ঘুরে ফরহাদ হোসেনঃ

পরপর চারদফা বন্যার কারনে রোপা আমন মৌসুমে লালমনিরহাট জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে আমন ধান কাটা। কৃষকরা ফলনও ভালো পেয়েছেন। ফলন ভালো পাওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে সোনালি হাসি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে লালমনিরহাট জেলায় ৮২ হাজার ৯শ মেট্রিকটন আমন ধান উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এবছর জেলায় ৫২ হাজার ৪শ ৯৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে।

এর মধ্যে, সদর উপজেলায় ৮ হাজার ৫শ ৫৫ হেক্টর, আদিতমারীতে ৯ হাজার হেক্টর, কালিগঞ্জে ১৪ হাজার ১শ হেক্টর, পাটগ্রামে ৯ হাজার ৩শ ২০ ও হাতীবান্ধায় ১১ হাজার ৫শ ২০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে।

এবার পোকা মাকড়ের আক্রমণ থাকলেও ধানের ফলন ভালো হয়েছে। ইতিমধ্যেই আমন ধান পাকতে শুরু করেছে। শুরু হয়েছে ধান কাটাও।

হাতীবান্ধা উপজেলার কৃষকরা জানান, এবছর ধানের ফলন ভালো হয়েছে। কাঁচা অবস্থাতেই প্রতিমন ধান ১০৫০ টাকা থেকে ১০৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া ধানের খড় গো খাদ্য হিসেবে বেশি দামে বিক্রি করতে পারছেন এতেও বেশ লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা।

পাটগ্রাম উপজেলার জগতবেড় এলাকার কৃষক সাইফুল ইসলাম জানান, আমরা প্রতিবছর আমন মৌসুমে লাল গুটি স্বর্ণা, ২৮ এবং অন্যান্য জাতের ধানের আবাদ করি। এবছরও ধান লাগিয়েছি যা বর্তমানে পেকেছে, ধান কাটা শুরু করেছি। ফলনও ভালো পাচ্ছি। দামও বেশ ভালো।

একই এলাকার কৃষক মোকলেস জানান, আমি চিকন স্বর্ণা ধানের চাষ করেছি। এই ধান আগাম পাকে। ধান পেকেছে। কাটতে শুরু করেছি। এবার ধানের ফলন ভালোই হয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কৃষকদের মাঝে প্রয়োজনীয় ঋণ সহায়তা প্রদান করেছে।

এফ.আর/রংপুর টাইমস

Leave a Reply

Your email address will not be published.