হোয়াইট হাউজ ছাড়ছেন ট্রাম্প?

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজ ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।

নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে হারলেও ২০২১ সালে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ডনাল্ড ট্রাম্প। ততদিন হোয়াইট হাউজেই থাকবেন তিনি।

তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজ ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।

হোয়াইট হাউজে নির্বাচনের ফল নিয়ে কথা বলছেন ট্রাম্প, এমন দাবি করে ছড়ানো ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ট্রাম্পের পেছনে মালপত্র ট্রাকে করে সরিয়ে নিচ্ছেন কর্মীরা।

ভিডিওটিতে লেখা হয়, ‘হোয়াইট হাউস থেকে ট্রাম্পের মালপত্র সরিয়ে ফেলছেন কর্মীরা। অথচ তিনি এখনও নির্বাচন নিয়ে নানা অভিযোগ করে যাচ্ছেন।’

ভিডিওটি ১৪ নভেম্বর প্রকাশ করা হয়। মধ্যরাতের টকশো ‘জিমি কিমেল লাইভে’ প্রথম দেখানোর পর এটি ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা হয়। এরপরই অনেক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারী তা নিজেদের ওয়ালে পোস্ট করেন।

ওই অনুষ্ঠানে কিমেল বলেন, ‘বড় কমলা লোকটি মনে হয় বিষণ্নতা কী বুঝছেন। মহামারির মধ্যে বাসা থেকে বের করে দেয়া হলে কেমন লাগে, তা তিনি বুঝতে পারবেন।’

ফ্যাক্ট চেক

ট্রাম্পের কথা বলার ভিডিওটি আসল। তবে এতে ২০২০ সালের নির্বাচনের ফল নিয়ে কথা বলেননি ট্রাম্প। ২০১৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ওই ভিডিওতে ট্রাম্প তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিশংসন প্রস্তাব নিয়ে কথা বলেন।

মূল ভিডিওটি হোয়াইট হাউজের রোজ গার্ডেনে ধারণ করা। এর সঙ্গে হাসির শব্দ ও ট্রাম্পের পেছনে কর্মীরা ট্রাকে মালপত্র তুলছেন তা যুক্ত করে প্রচার করা হয়।

ভিডিওটি ব্যঙ্গাত্মক। নির্বাচনের ফল মানতে ট্রাম্পের অস্বীকৃতি নিয়ে রসিকতা করতেই ভিডিওটিতে ট্রাক ও আসবাবপত্র সরানোর কর্মীদের যোগ করা হয়েছে।

রাজনৈতিক মন্তব্যের জন্য পরিচিত কিমেল এর আগেও ব্যাকগ্রাউন্ড বদলে ট্রাম্পের ভিডিও প্রকাশ করেছেন। নির্বাচনের ফল মানতে ট্রাম্পের অস্বীকৃতি নিয়েও সম্প্রতি রসিকতা করেন তিনি।

সূত্র: ইউএসএ টুডে

Leave a Reply

Your email address will not be published.