প্রতিবন্ধীরাও স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে পারে!

সংগৃহিত পোষ্টঃ

২৯ তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও ২২ তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস আজ। বিশ্বব্যাপী এই দিনটিকে পালন করে আসছে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে। প্রতি বছরের মতো এবারও প্রতিবন্ধীদের বিষয়ে সচেতনতা প্রসার ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মর্যাদা সমুন্নত করন ও অধিকার সুরক্ষা ও উন্নতি সাধন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক ও জাতীয়ভাবে সারাদেশে এ দিবসটি পালন করা হবে।

দিবসটি উদযাপনের জন্য প্রতিবছর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে । তবে এ বছরের প্রেক্ষাপট একটু ভিন্ন। করোণা মহামারির সংক্রমণে আমরা সবাই বিপর্যস্ত এবং অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন এর জন্য আমরা সাধারণত সভা-সমাবেশ, সেমিনার, কনফারেন্স এগুলোকে এড়িয়ে দিয়ে চলার চেষ্টা করছি।

প্রতিবন্ধী মানুষের স্বার্থ সুরক্ষার লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো ১৯৯৯ সালে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন গঠন করা হয়। তারপর প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য প্রথম “বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী আইন” প্রবর্তন করা হয়। প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার নিশ্চিত করতে ২০১৩ সালে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা হয়। অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের সুরক্ষায় ২০১৩ সালে নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট আইন চালু করা হয়েছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মান সম্মান ও পেশাদার প্রাতিষ্ঠানিক সেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইন প্রণীত হয়েছে ২০১৮ সালে।

দিনবদলের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে প্রায় ১৬ লক্ষ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে ডিজেবিলিটি ইনফর্মেশন সিস্টেম এর অধীনে আনা হয়েছে ২০১৮ সালে। তখনই ১০৩ টি প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র এর মাধ্যমে বছরে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে স্পিচ এ্যান্ড ল্যাংগুয়েজ থেরাপি, ফিজিওথেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি, কাউন্সিলিং ও পরামর্শ সেবা, তথ্য সেবা ও রেফারেল সেবা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। বিনামূল্যে সহায়ক উপকরণ সরবরাহ করার ও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তখন থেকেই ৩২ টি ওয়ান স্টপ সেবা থেরাপি ভ্যান এর মাধ্যমে প্রত্যন্ত এলাকায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দোরগোড়ায় সেবা দেয়া হচ্ছে।

বর্তমান সরকার ঢাকার মিরপুরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য প্রশিক্ষণ, শিক্ষা ও আবাসন সুবিধাসহ ১৫ তলা জাতীয় প্রতিবন্ধী কমপ্লেক্স নির্মাণ করেছে। স্পেশাল অলিম্পিকে প্রতিবন্ধী ক্রীড়াবিদদের সাফল্যে খুশি হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় প্রতিবন্ধী ক্রিয়া কমপ্লেক্স নির্মাণ করার জন্য সাভারে ২০১৮ সালে ১২ একর জমি বরাদ্দ করেছেন ।

এছাড়া দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ও সারা দেশে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পরিচালনার জন্য অনুদান প্রদান করা হয়। অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের জন্য বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্টে প্রয়াস নামক বিশেষায়িত স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। শারীরিক প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রতিবন্ধীরা দেশের সেরা মুক্তা ব্রান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার ও মৈত্রী ব্র্যান্ডের প্লাস্টিক সামগ্রী উৎপাদন করছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় ডিজেবিলিটি জব ফেয়ার এর মাধ্যমে শিক্ষিত ও দক্ষ প্রতিবন্ধী যুবকদের চাকুরির ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

প্রতিবছর ৩ ডিসেম্বরকে বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৯২ সাল থেকে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে । শারীরিকভাবে অসম্পূর্ণ মানুষদের প্রতি সহমর্মিতা ও সহযোগিতা প্রদর্শন ও তাদের কর্মকাণ্ডের প্রতি সম্মান জানানোর উদ্দেশ্যেই এই দিবসটির সূচনা।

বিশ্বজুড়ে প্রতিবন্ধী দিবসের উদযাপনের পিছনে আছে এক ঘটনাবহুল জীবনস্মৃতি। ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে বেলজিয়ামে এক সাংঘাতিক খনি দুর্ঘটনায় বহু মানুষ মারা যান এবং আহত পাঁচ সহস্রাধিক ব্যক্তি চিরজীবনের মতো প্রতিবন্ধী হয়ে পড়েন। তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। তাদের প্রতি সহমর্মিতায় ও পরহিত পরায়ণতায় বেশ কিছু সামাজিক সংস্থা চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের কাজে স্বতঃপ্রবৃত্তভাবে এগিয়ে আসেন। এর ঠিক পরের বছর জুরিখে বিশ্বের বহু সংগঠন সম্মিলিত ভাবে আন্তর্দেশীয় স্তরে এক বিশাল সম্মেলন করেন। সেখান থেকেই প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে বিস্তারিত সব তথ্যের হদিশ পাওয়া যায়। সেখানে সর্বসম্মতভাবে প্রতিবন্ধী কল্যাণে বেশকিছু প্রস্তাব ও কর্মসূচি গৃহীত হয়, যা পরবর্তীতে পালন করার ব্যবস্থা নেয়া হয়। খনি দুর্ঘটনায় আহত বিপন্ন অসহায় প্রতিবন্ধীদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য “বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস” পালন করতে আহ্বান জানানো হয়। সেই থেকেই কালক্রমে সারা পৃথিবীর প্রতিবন্ধী মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়ানোর দিন হয়ে উঠেছে এদিনটি।

আমরা অবগত আছি যে সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ সাথে থেকে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রম কর্মসূচি নেয়া হয়। যাকে বলা হয় “প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি”। যদি সরকারের সহযোগিতায় কমিউনিটি পর্যায়েও এই সেবা পৌঁছে দেয়া যায় তবে আরও ভালো ফলাফল আসবে আশা করি।

প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দরিদ্র, অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত প্রতিবন্ধী শিশুকিশোরদের শিক্ষা লাভের সহায়তা হিসেবে ২০০৭-০৮ অর্থ বছর থেকে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়েছে। সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে শুরুতে প্রায় ১২ হাজার ২০৯ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় মাসিক উপবৃত্তির হার প্রাথমিক স্তরে ৩০০ টাকা, মাধ্যমিক স্তরে ৪৫০ টাকা, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৬০০ টাকা এবং উচ্চতর স্তরে ১০০০ টাকা।

বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের সময় অর্থাৎ ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে উপকারভোগীর সংখ্যা ছিল ১৩ হাজর ৪১ জন এবং বার্ষিক বরাদ্দ ছিল ৬.০০ কোটি টাকা। ২০০৯-১০ অর্থ বছরে উপকারভোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ১৫০ জনে এবং বার্ষিক বরাদ্দ ৬ কোটি টাকা থেকে ৮ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়। ২০২০-২১ অর্থবছরে উপকারভোগীর সংখ্যা ১ লক্ষ এবং বার্ষিক বরাদ্দ ৯৫ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকায় উন্নীত করা হয়। বাংলাদেশ সরকার এটা সময়ের সাথে সাথে বাড়ানো চেষ্টা করে যাচ্ছেন ।

বর্তমানে প্রাথমিক স্তরে ৭৫০ টাকা, মাধ্যমিক স্তরে ৮০০ টাকা, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৯০০ টাকা এবং উচ্চতর স্তরে ১৩০০ টাকা প্রদান করা হচ্ছে। বিগত বছরে প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তি বিতরণে প্রায় শতভাগ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এই সেবার নাম: প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি, এটা প্রদান করছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজ সেবা অধিদপ্তর।

সর্বোপরি বিশেষ শিশু বা প্রাপ্তবয়স্ক বিশেষ শিশুটিকে সুস্থ রাখার জন্য তাদের খাদ্যাভ্যাসের দিকে একটু বিশেষ নজর দিতে হবে। প্রচুর পরিমাণে পানি, তরল খাদ্য, ভিটামিন সি যুক্ত পুষ্টিকর খাবার তাদের খাদ্যতালিকায় রাখা খুবই প্রয়োজন, যাতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এর জন্য প্রয়োজনীয় উপদেশ দিতে হবে সহায়তাকারীকে। এভাবেই বিশেষ শিশুটি ভালো থাকবে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সবাই এই নিয়মগুলো মেনে চলার চেষ্টা করব এবং আমাদের প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের নিরাপদে, সুস্থ রাখবো।

বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারিতে আমাদের সমস্ত কার্যক্রম একটু পিছিয়ে গেছে। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি নিজেদেরকে সুস্থ রাখার ও আমাদের প্রিয় সন্তানকে কে নিরাপদে রাখার। তারপরও অনেক সময় বাস্তবতা ভিন্ন। আমরা আক্রান্ত হয়ে যাচ্ছি। এক্ষেত্রে শিশুটি বা বয়স্ক ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়ে গেলে অবশ্যই ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। সে ক্ষেত্রে যেসব ডাক্তারগণ এসব নিয়ে কাজ করছেন এদেরকেই বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে l তারাই বুঝতে পারবেন চিকিৎসার পাশাপাশি এদের মানসিক প্রশান্তি এবং থেরাপি দেওয়া কিভাবে সম্ভব। এখানে একটা মাল্টিডিসিপ্লিনারি টিম ওয়ার্ক থাকবে।

থেরাপিস্ট, ফিজিওথেরাপিস্ট, কাউন্সিলর, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট কাজ করবেন। একটি সুস্থ স্বাভাবিক বাচ্চার আক্রান্ত হওয়া এবং একটি বিশেষ শিশুর আক্রান্ত হওয়া খুব বেশি পার্থক্য করা যাবে না । শুধু একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, সাধারণ শিশুটিকে বোঝানো যাবে, যে ভাইরাসটা দিয়ে সে আক্রান্ত হয়েছে তার জন্য কি কি নিয়ম কানুন তার মেনে চলতে হবে, কিন্তু বিশেষ শিশুটিকে বোঝানোর জন্য আমাদের একটি বিশেষ সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে এবং নিরাপদ রাখার জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টা অবশ্যই থাকতে হবে।

বিশেষ শিশুটির বা বয়স্ক ব্যক্তির জীবন নির্ভর করে ডক্টর, থেরাপিস্ট এবং স্পেশাল স্কুল এর কার্যক্রমের মাধ্যমে। Covid 19 মহামারির জন্য শিশুটির এসব জায়গায় যাতায়াত অনেকটা বাধাগ্রস্ত হয়, যার জন্য তাদের মানসিক অস্থিরতা বেড়ে যেতে পারে। এসব প্রতিবন্ধকতায় আক্রান্ত শিশুরা সাধারণত তাদের নিয়মের বাইরে যেতে একটু অপছন্দ করে। তারা ঠিক যেভাবে তাদের ডক্টরস থেরাপিস্টদেরকে ভিজিট করতো ঠিক সেভাবেই আমরা তাদেরকে ভার্চুয়াল সাপোর্ট দিতে পারি, এতে করে তাদের অস্থিরতা অনেকটাই কমে যাবে।

সাথে সাথে তাদের indoor activities গুলো একটু বাড়িয়ে দিতে হবে। যে সব শিশু গান শুনতে পছন্দ করে তাদের জন্য গান, যারা ছবি আঁকতে পছন্দ করে তাদের ছবি আঁকার, যারা একটু বয়স্ক ও অন্যান্য পেশাদার কাজের সাথে যুক্ত আছেন তাদের activities চালু রাখতে হবে। যারা লেখাপড়ায় ভালো তাদের স্কুলের পারফর্মিং এ বিশেয খেয়াল রাখতে হবে, স্কুলটা যেন ভাল ও কার্যকরী হয়, সহজ সাবলীল ও গ্রহণযোগ্যভাবে তাদের কাছে উপস্থাপন করতে হবে। তাহলেই তাদের মধ্যে সব অস্থিরতা কমে যাবে।

সর্বোপরি বিশেষ শিশু বা প্রাপ্তবয়স্ক বিশেষ শিশুটিকে সুস্থ রাখার জন্য তাদের খাদ্যাভ্যাসের দিকে একটু বিশেষ নজর দিতে হবে। প্রচুর পরিমাণে পানি , তরল খাদ্য, ভিটামিন সি যুক্ত পুষ্টিকর খাবার তাদের খাদ্যতালিকায় রাখা খুবই প্রয়োজন, যাতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এর জন্য প্রয়োজনীয় উপদেশ দিতে হবে সহায়তাকারীকে। এভাবেই বিশেষ শিশুটি ভালো থাকবে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সবাই এই নিয়মগুলো মেনে চলার চেষ্টা করব এবং আমাদের প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের নিরাপদে, সুস্থ রাখবো।

আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ২০২০, প্রতি বছরের মতো এবারও আমাদের প্রত্যাশা থাকবে, আমাদের সবার সাথে এক হয়ে আমাদের প্রতিবন্ধী শিশু ও ভাই-বোনেরাও একত্রে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এটা শুধু প্রতিষ্ঠা করা আমাদের সরকারেরই কর্তব্য নয়। আমাদের সকলেরই এর জন্য উপযুক্ত মন-মানসিকতা করা উচিত। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা ও তাদের পরিবার যাতে সমাজে সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকতে পারেন আমাদের সাথে, তার জন্য মানসিকভাবে তৈরি হতে হবে- আমাদেরই।

লেখকঃ ডা. সেলিনা সুলতানা

কনসালটেন্ট: চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড পেডিয়াট্রিক, স্পেশালিস্ট ইন নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার এন্ড অটিজম, বেটার লাইফ হসপিটাল।

এফ.আর/রংপুর টাইমস

Leave a Reply

Your email address will not be published.