তারাগঞ্জে এডিপি বরাদ্দ আত্মসাত,উপজেলা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যে

দেড় লক্ষ টাকার বরাদ্দে দুই লক্ষ টাকার ভাউচার বাদ্যযন্ত্র ক্রয়ের বরাদ্দে নির্মাণ সামগ্রী কেনার ভাউচার দিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান

দিপক রায়, তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি :

রংপুরের তারাগঞ্জে এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (এডিপি) বরাদ্দ আত্মসাতের তথ্য প্রকাশ হওয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে পুরো ইউনিয়নসহ উপজেলা জুড়ে।

প্রকল্পে ওই ইউনিয়নের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের জন্য বাদ্যযন্ত্র ক্রয়ের বরাদ্দকৃত দেড় লক্ষ টাকার বরাদ্দে নির্মাণ সামগ্রী কিনে দুই লক্ষ টাকার বিল করে অফিসে জমা দিয়ে অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাতের তথ্য চিত্র উঠে এসেছে।

তথ্যগুলো উঠে এসেছে উপজেলার সয়ার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আজম কিরণের বিরুদ্ধে। তথ্য অধিকার আইনে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী দেখা যায় যে, প্রকল্পের সভাপতির নামে বিল-ভাউচার না করে চেয়ারম্যান তার নিজ নামে বিল ভাউচার জমা দিয়ে উক্ত টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন।

প্রকল্পের স্টিমেট অনুযায়ী বাদ্যযন্ত্র ক্রয়ের কথা থাকলেও সেখানে চেয়ারম্যান তার নিজ নামে ইট ক্রয় বাবদ ৯৫ হাজার টাকা, সিমেন্ট ক্রয় বাবদ ৪৩ হাজার ২৬০ টাকা, খোয়া ও বালু ক্রয় বাবদ ২৭ হাজার ৯৪০টাকা, ৭৭ মিটার ড্রেনের কাজ সমাপ্ত করতে মিস্ত্রি বাবদ ৩৩হাজার ৮০০ টাকা সহ মোট ২ লক্ষ টাকা ব্যয়ের ভাউচার জমা দিয়ে বরাদ্দকৃত অর্থ উত্তোলন করেছেন।

উক্ত ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আজম কিরণের মুঠোফোনে এব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি কোন মন্তব্য না করে ফোনের লাইনটি কেটে দেন। উপজেলা সহকারি প্রকৌশলী মামুনুর রহমান বলেন, আমি উক্ত প্রকল্পের স্টিমেট তৈরি করে দিয়েছি। কিন্তু উক্ত সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি যে নাই তা আমার জানা ছিল না।

উপজেলা প্রকৌশলী হায়দার জামান বলেন, প্রকল্পটির কাগজপত্র আমার কাছে নেই। তাই আমি কিছু বলতে পারছি না। উপজেলা চেয়ারম্যান আনিছুর রহমানের মুঠোফোনে ফোনে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখন ঢাকার পথে রওয়ানা দিয়েছি। ফাইল না দেখলে এব্যাপারে আমার পক্ষে কিছুই বলা সম্ভব নয়। ঢাকা থেকে ফিরে এসে ফাইল দেখে বিষয়টি দেখবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.