বেরোবিতে পতাকা অবমাননাকারীদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থাকতে দেওয়া হবে না- রংপুরে আওয়ামীলীগ নেতা মমতাজ উদ্দীন আহমেদ।

স্টাফ রিপোর্টার।।

বেরোবিতে পতাকা অবমাননাকারীদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থাকতে দেওয়া হবে না বলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য প্রদান করেছেন রংপুর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দীন আহমেদ।

আজ (মঙ্গলবার) সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে সম্পতি ঘটে যওেয়া বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান বিজয় দিবসে জাতীয় পতাকা অবমাননাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবীতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে একথা বলেন তিনি।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহি সংসদের সাবেক সদস্য ফয়সাল আজম ফাইনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, রংপুর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাজেদ আলী বাবুল, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক কামরুজ্জামান শাহীন, জেলা যুবলীগের সদস্য ও রংপুর সিটি ১৫ ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাকারিয়া আলম শিপলু, বেরোবি ছাত্রলীগের সভাপতি আবু মোন্নাফ আল কিবরিয়া তুষার।

উক্ত মানববন্ধনে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দীন আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহর পদত্যাগ দাবী করে বক্তৃতা প্রদান করেন।

তিনি বলেন, আমাদের আজকে এখানে পথে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করার কথা না। কিন্তু গত ১৬ ডিসেম্বর যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছিলো তা নিয়ে কথা বলতে আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি। অনেক রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন সার্বভৌম একটি রাষ্ট্র, একটি সংবিধান ও পতাকা পেয়েছি। যারা এই পতাকার অবমাননা করে কোনো অবস্থায় যাতে তারা এই বিদ্যাপীঠে থাকতে না পারে সেই ব্যবস্থা নিতে আমরা বাধ্য হবো। অভিযুক্ত সকল শিক্ষক এবং ভিসি যতক্ষণ জনগনের কাছে ক্ষমা না চাইবে ততক্ষণ শুধু এই মানববন্ধন নয় এর চেয়েও তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এটার সুষ্ঠু সমাধানের একমাত্র পথ হলো সকল শিক্ষার্থী ও জনগনের কাছে তাদের কর জোড়ে ক্ষমা চাইতে হবে। যেসকল শিক্ষক এই কান্ডে জড়িত কোনভাবেই তাদের এই বিদ্যাপিঠে পাঠদানের অনুমতি থাকবেনা। ভিসি এই ব্যবস্থা না নিলে আমরা নিজেরাই তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা রুজু করতে বাধ্য হবো। ভিসি সাহেবকে আমি বলবো আপনি যত তারাতারি আসবেন এবং এখান থেকে পদত্যাগ করে চলে যাবেন ততই মঙ্গল হবে।

এছাড়াও মানববন্ধনে বেরোবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান নোবেল শেখ, মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আসিফ, পতাকা অবমাননা এজাহারের বাদী ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি আরিফুজ্জামান আরিফ সহ জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামীলীগের নেতা ও কর্মীরা উপিস্থিত ছিলেন।

এফ.আর/রংপুর টাইমস

Leave a Reply

Your email address will not be published.