জীবনটা এক মায়ার দোকান

জিল্লুর রহমান প্রামানিক:

একবার মরেছিলাম আন্ধার রাতে

মৃত জোছনার রূপে

আবারো মরতে গেলাম কমলা দিঘির পাড়ে

মায়ার একখান চাঁদ স্পর্শ করার

‘বেহুদা’ বাসনা নিয়ে

এবার সত্যি সত্যি মরে গেলাম

হারানো চাঁদের বিপন্ন আলোর রূপ দেখে

জাতিভ্রষ্ট জাত্যন্ধ মরা মানুষের

মরণের আবার যন্ত্রণা কী ?

সে-তো তোমার বিরহে বারবার মরে

যাঁর জন্যে মরা ; সে তো জানলো না কোনোদিন

তাঁর বিহনে আমি জিন্দা লাশ!

তুমি ঈশ্বর – পাখির পালকে-ছায়ায় ছায়ায়

উড়িয়েছো মায়া

বেঁধেছো কালের আঁচলে নিপুণ প্রেমের ঘর

কে পেলো-কে হারালো রাখোনা খবর!

জীবনটা এক সুরভিত দুর্জ্ঞেয় মায়ার দোকান

যে যেভাবে সাজায় দুরধিগম্য কল্পনায়

সেভাবেই সাজে

দুর্দম্য মায়া তার পিছু ছাড়ে না!

জীবন থেকে নেয়া অনপনেয় দুঃখগুলো

গোপন রেখে ; দুরূহ সুখগুলো তোমাকেই দিলাম

মায়ার চির মাধুরী তোরঙ্গে তুলে রেখো।

ঈশ্বরও আজ হেরে গেছে হয়তো

বেহুড়া বেশে মায়ার মোহে মাধবী মল্লিকা বনে!

আমি তো তোমাকেই খুঁজি জীবনে মরণে

হরদম দমেদমে

ঈশ্বরের কী রূপ দেখতে যেয়ে

তোমাকে দেখা হলো না আর!

Leave a Reply

Your email address will not be published.