আদিতমারীতে পুত্রবধূকে ধর্ষণ, শ্বশুর গ্রেফতার

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে সাতদিন ধরে পুত্রবধূকে ধর্ষণকারী শ্বশুর মোকসুদার ও তার সহযোগীকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় লালমনিরহাট পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস রিলিসের মাধ্যমে লালমনিরহাট পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা নিশ্চিত করেন।

এর আগে মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার পলাশী ইউনিয়নের মহিষাশ্বহর গ্রাম থেকে তাদের আটক করা।

আটককৃতরা হলেন,উপজেলার উত্তর তালুক পলাশী গ্রামের মৃত বদিয়ার রহমানের ছেলে মকসুদার রহমান (৪৫) ও তার ভাই সহযোগী মনসুর আলী (৫০)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিন মাস আগে প্রতিবেশী এক মেয়ের সঙ্গে প্রেম করে বিয়ে করেন ওই অটোচালক। স্বামী দিনের বেলায় অটো চালাতে বাইরে ব্যস্ত থাকেন। তার শাশুড়িও অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। আর শ্বশুরসহ পুত্রবধূ বাড়িতেই থাকেন। গত সপ্তাহে পুত্রবধূ জ্বরে আক্রান্ত হলে ওষুধের কথা বলে শ্বশুর তাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করেন। পরদিন আবারও শ্বশুর কুপ্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হলে ক্ষিপ্ত হয়ে শ্বশুর গৃহবধূর চোখে ঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে দেন। ওইদিন দ্বিতীয় দফায় পুত্রবধূকে ধর্ষণ করেন শ্বশুর। বিষয়টি তার স্বামী ও শাশুড়িকে জানালেও তারা বিশ্বাস করেন না। এভাবে এক সপ্তাহ পুত্রবধূকে ধর্ষণ করতে থাকনে।

এক পর্যায়ে ৩ ডিসেম্বর স্বামী হাবিবুর অটোরিকশা নিয়ে বাইরে গিয়ে কিছুক্ষণ পর বাড়ি ফিরে এসে নিজ চোখে স্ত্রীর সঙ্গে বাবার অপকর্ম দেখতে পান। ৫ ডিসেম্বর বিষয়টি নিয়ে বাবা ছেলের মধ্যে বিতর্ক হয়।

এ সময় প্রকাশ্যে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ছেলে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে আদিতমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এরপরই তার বাবার অপকর্মের বিষয়টি জানাজানি হয়। এরপর বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান ছেলের বাবা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.