ইউপি সদস্য থেকে চেয়ারম্যান ফজলার রহমান খোকন

ফজলার রহমান ওরফে খোকন মেম্বার নামে এলাকায় ব্যাপক পরিচিত এই মানুষটি। ক্ষমতার বাহিরে থেকেছেন কয়েক বছর তার পরও জনপ্রিয়তা নষ্ট হয়নি। গ্রামে থেকে গ্রামে সধারন মানুষের সমস্যা সমাধান করেই চলছেন। এর মা্ঝে হলেন ইউপি চেয়ারম্যান।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের দালালপাড়ার বাসিন্দা তিনি। টানা ১৩ বছর ছিলেন ইউপি সদস্য। এবার চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন তিনি। ভোটে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার প্রার্থীকে হারিয়ে জয়ের মালা গলায় পরেছেন ফজলার রহমান।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৯৯৫ সালে বড়খাতা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হিসেবে প্রথম নির্বাচিত হন ফজলার রহমান। এরপর টানা ১৩ বছর ইউপি সদস্য ছিলেন। পরে বড়খাতা ইউনিয়ন পরিষদ ভাগ হয়ে যায়। তিনি পড়ে যান ফকিরপাড়া ইউনিয়নে। তাই ২০১১ সালে ওই ইউনিয়নে নির্বাচন করে ১০৪ ভোটে পরাজিত হন। ২০১৫ সালে নির্বাচনে অংশ নেননি। তবে এবারের ইউপি নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে অংশ নেন। হন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এ ইউনিয়নে নৌকাসহ চেয়ারম্যান প্রার্থী হন আরও পাঁচজন।

২৬ ডিসেম্বর ফকিরপাড়া ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বেসরকারিভাবে তাকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন হাতীবান্ধা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম।

ফজলার রহমান খোকন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ২২২ ভোট, আনারস প্রতীকে জাহিদ হোসেন পেয়েছেন ১ হাজার ১৭২ ভোট, আনজুয়ারা বেগম চশমা প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ২৮৭ ভোট, মোটরসাইকেল প্রতীকে আজিজার রহমান পেয়েছেন ২৫২ ভোট ও হাতপাখা প্রতীকে সায়েদ আলী পেয়েছেন ২৪৬ ভোট।

জয় পাওয়ার বিষয়ে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ফজলার রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ফকিরপাড়া ইউনিয়নবাসীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ। কারণ আমাকে তারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। আমি তাদের সুখ দুঃখে পাশে থাকব।

তিনি আরও বলেন, আমার দাদা ও চাচা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছিলেন। আমিও ১৩ বছর সদস্য থাকার পর এবার চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.