নীলফামারীতে দফায় দফায় ঝড়-শিলাবৃষ্টি

নীলফামারী জেলার বিভিন্ন জায়গায় দফায় দফায় ঝড় ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে ও শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে শিলাবৃষ্টিতে আলু, গম, সরিষা, তামাকসহ উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যাওয়ার পরপরই শুরু হয় দমকা হাওয়ার সঙ্গে শিলাবৃষ্টি।

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। ১৫ মিনিট পর ঝড় ও হালকা বৃষ্টির সঙ্গে শিলাবৃষ্টিও শুরু হয়। জেলা সদরে ৩ মিলিমিটার, ডিমলা উপজেলায় ২ মিলিমিটার ও সৈয়দপুর উপজেলায় ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ১০ মিনিট ব্যাপী ঝড় ও বৃষ্টি হয়েছে নীলফামারী জেলায়। আকস্মিক এই শিলাবৃষ্টিতে ভুট্টা ক্ষেতের ক্ষতি হবে বলে জানান কৃষক শাহিনুর ইসলাম।

সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের শরিফুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার রাতের ছোট ও মাঝারি সাইজের শিলাবৃষ্টিতে তার গম ও সরিষার ক্ষেত মাটিতে নেতিয়ে পড়েছে। ফলে তার অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

ডোমার বড়রাউতা গ্রামের কৃষক শাওনা বলেন, দুই দফায় বৃষ্টিপাতে তার আলুক্ষেতে ক্ষতি হয়েছে।

নীলফামারী কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, মৌসুমের প্রথম ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ফসলের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। তবে সব ফসলের ক্ষতি হবে না বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মিলিমিটার, ডিমলা উপজেলায় ২ মিলিমিটার ও সৈয়দপুর উপজেলায় ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ১০ মিনিট ব্যাপী ঝড় ও বৃষ্টি হয়েছে নীলফামারী জেলায়। আকস্মিক এই শিলাবৃষ্টিতে ভুট্টা ক্ষেতের ক্ষতি হবে বলে জানান কৃষক শাহিনুর ইসলাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published.